সুপার কম্পিউটারেরও বয়স বাড়ে! গতির কাছে হেরে যেতে হয়! বিশ্বের এক সময়ের সবচেয়ে দ্রুতগতিতে হিসাব করার ক্ষমতা সম্পন্ন রোডরানার কম্পিউটারকে ভেঙে ফেলা হচ্ছে।
৩১ মার্চ রোডরানারের সব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। এখন এই কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চলতি মাসেই আলাদা করে ফেলা হবে এর সব যন্ত্রাংশ। খবর বিবিসির।
ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস বা আইবিএমের তৈরি যুক্তরাষ্ট্রের সুপারকম্পিউটার রোডরানারকে অবসরে যেতে হচ্ছে গতির দৌড়ে হেরে যাওয়ার কারণেই। ২০০৮ সালে বিশ্বের দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটার হিসেবে চালু হয়েছিল রোডরানার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর লস অ্যালামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে নিউক্লিয়ার অস্ত্র ও ভাইরাস গবেষণায় ব্যবহার করা হতো রোডরানারকে। গবেষকেরা বলছেন, গবেষণাগারে আরও দ্রুতগতির কম্পিউটার প্রয়োজন পড়ায় বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটারকেও অবসরে যেতে হলো।
এক সময়ের বিশ্বের প্রথম ‘পেটাফ্লপ’ বা সেকেন্ডে ১ হাজার ট্রিলিয়ন গণনা করার ক্ষমতাসম্পন্ন সবচে ক্ষমতাধর সুপারকম্পিউটার রোডরানারকে অবসর দিয়ে আরও দ্রুতগতির ‘সেলিও’ সুপারকম্পিউটার ব্যবহার করবে লস অ্যালামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির গবেষকেরা।
বর্তমানে দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটার সেকুইয়ার চেয়ে রোডরানার ১৫ গুণ পিছিয়ে পড়েছিল। সেকুইয়া ১৬.৩২ পেটাফ্লপ বা একসঙ্গে ৭৮ লাখ দ্রুতগতির ল্যাপটপের গতিতে হিসাব করতে পারে।
রোডরানারে ছিল ১২ হাজারের বেশি বিশেষ প্রসেসর, ৯২ কিলোমিটার ফাইবার অপটিক কেবল এবং রেফ্রিজারেটর আকৃতির ২৮৮ টি কাঠামো।
বিশাল এ কম্পিউটারকে বিদায় জানাতে গিয়ে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছেন লস অ্যালামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির গবেষক গ্রে গ্রিডার। তাঁর ভাষ্যে, ‘সুপার কম্পিউটারের ব্যবহার এবং সুপার কম্পিউটার তৈরির ধারণা বদলে দিয়েছিল রোডরানার। বিশেষ ধরনের প্রসেসরগুলো নতুন পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হয়েছিল। রোডরানার তৈরির বিষয়টি সবার দৃষ্টি কাড়তে পেরেছিল। রোডরানারের বিদায়ের সময়ও আমরা এ সুপারকম্পিউটার থেকে অনেক কিছু শিখছি।’
সুত্রঃ প্রথম আলো (২/৪/২০১৩)
৩১ মার্চ রোডরানারের সব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। এখন এই কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চলতি মাসেই আলাদা করে ফেলা হবে এর সব যন্ত্রাংশ। খবর বিবিসির।
ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস বা আইবিএমের তৈরি যুক্তরাষ্ট্রের সুপারকম্পিউটার রোডরানারকে অবসরে যেতে হচ্ছে গতির দৌড়ে হেরে যাওয়ার কারণেই। ২০০৮ সালে বিশ্বের দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটার হিসেবে চালু হয়েছিল রোডরানার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর লস অ্যালামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে নিউক্লিয়ার অস্ত্র ও ভাইরাস গবেষণায় ব্যবহার করা হতো রোডরানারকে। গবেষকেরা বলছেন, গবেষণাগারে আরও দ্রুতগতির কম্পিউটার প্রয়োজন পড়ায় বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটারকেও অবসরে যেতে হলো।
এক সময়ের বিশ্বের প্রথম ‘পেটাফ্লপ’ বা সেকেন্ডে ১ হাজার ট্রিলিয়ন গণনা করার ক্ষমতাসম্পন্ন সবচে ক্ষমতাধর সুপারকম্পিউটার রোডরানারকে অবসর দিয়ে আরও দ্রুতগতির ‘সেলিও’ সুপারকম্পিউটার ব্যবহার করবে লস অ্যালামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির গবেষকেরা।
বর্তমানে দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটার সেকুইয়ার চেয়ে রোডরানার ১৫ গুণ পিছিয়ে পড়েছিল। সেকুইয়া ১৬.৩২ পেটাফ্লপ বা একসঙ্গে ৭৮ লাখ দ্রুতগতির ল্যাপটপের গতিতে হিসাব করতে পারে।
রোডরানারে ছিল ১২ হাজারের বেশি বিশেষ প্রসেসর, ৯২ কিলোমিটার ফাইবার অপটিক কেবল এবং রেফ্রিজারেটর আকৃতির ২৮৮ টি কাঠামো।
বিশাল এ কম্পিউটারকে বিদায় জানাতে গিয়ে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছেন লস অ্যালামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির গবেষক গ্রে গ্রিডার। তাঁর ভাষ্যে, ‘সুপার কম্পিউটারের ব্যবহার এবং সুপার কম্পিউটার তৈরির ধারণা বদলে দিয়েছিল রোডরানার। বিশেষ ধরনের প্রসেসরগুলো নতুন পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হয়েছিল। রোডরানার তৈরির বিষয়টি সবার দৃষ্টি কাড়তে পেরেছিল। রোডরানারের বিদায়ের সময়ও আমরা এ সুপারকম্পিউটার থেকে অনেক কিছু শিখছি।’
সুত্রঃ প্রথম আলো (২/৪/২০১৩)

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন